হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরার সহায়তায় মাত্র এক ঘণ্টার চেষ্টায় এক প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া ব্যাগ উদ্ধার করে মালিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানের আন্তরিক প্রয়াস এবং ‘টিম এয়ারপোর্ট’-এর যৌথ উদ্যোগে শনিবার (৭ নভেম্বর) এই ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। ওই রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানান ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, কেবল ব্যাগ উদ্ধারই নয়, অনলাইনে চেকইন থাকা সত্ত্বেও বিমান মিস করার ঝুঁকিতে থাকা এক প্রবাসী যাত্রীকে টিম এয়ারপোর্ট, এয়ারলাইন্স ও ইমিগ্রেশনের সহায়তায় ফ্লাইটে উঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, হয়রানির শিকার আরেক প্রবাসীর যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতকরণ এবং এক প্রবাসীর পকেট থেকে পড়ে যাওয়া স্বর্ণ চুরি করা অভিযুক্তকে সিসিটিভির মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।
একই দিনে বিমানবন্দরে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে একজন নেশাগ্রস্ত গণউপদ্রবকারীকে কারাদণ্ড প্রদানের পাশাপাশি অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী মোট ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান তাঁর পোস্টে মন্তব্য করেন যে, সামান্য আন্তরিক চেষ্টা দিয়ে মানুষের বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরে প্রতিদিন অনেক ভালো কাজ হলেও অল্প কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার আড়ালে তা চাপা পড়ে যায়। মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুখে হাসি ফোটাতে পারা এবং তাদের চোখে প্রতিফলিত কৃতজ্ঞতাবোধই তাঁদের কাজের প্রধান অনুপ্রেরণা বলে তিনি উল্লেখ করেন।






















