অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে অনুষ্ঠিত ২৮তম কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনের (CHOGM) সাইডলাইনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রীম বিনতে ইব্রাহিম আল হাশিমি। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।
ক্যারিবীয় সাগরঘেরা সেন্ট জনসে বিশ্বনেতাদের এই সমাবেশের ফাঁকে অনুষ্ঠিত আন্তরিক পরিবেশের এ বৈঠকে প্রধানত তিনটি বিষয় গুরুত্ব পায়। প্রথমত, আমিরাতের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। দ্বিতীয়ত, আমিরাতে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তৃতীয়ত, বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো খাতে আমিরাতের বিনিয়োগ।
আলোচনায় মানবিক সংকটের প্রসঙ্গও উঠে আসে। রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ নিরসনসহ এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমিরাত।
বৈঠকের শেষে দুই মন্ত্রী একমত হন যে, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পথ আরও প্রশস্ত করতে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (CEPA) দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
পত্রিকাভেদে বাইলাইনের ধরন একটু আলাদা হতে পারে। যেমন কোনো পত্রিকা লেখে “আশিক ইসলাম, আবুধাবি থেকে” বা “আশিক ইসলাম, দুবাই থেকে”। আপনি কোন শহর থেকে রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন জানালে সেভাবে বদলে দিতে পারি।






















