পটুয়াখালীর মহিপুরে চেক ডিজঅনার মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গিয়ে আসল আসামির পরিবর্তে অন্য একজনকে গ্রেপ্তারের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে মহিপুর থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। কারাবন্দী মো. জলিল হাওলাদারের পরিবারের দাবি, তিনি ওই মামলার আসামি নন এবং তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা ছাড়াই তাঁকে জেলখাটতে হচ্ছে। মহিপুর থানা-পুলিশও পরিচয় শনাক্তে এমন ভুলের কথা স্বীকার করেছে।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ টাকা পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে ২০২৩ সালে পটুয়াখালীর আদালতে মো. জলিল হাওলাদারের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করেন। উক্ত মামলায় আদালত থেকে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গত ১৯ আগস্ট মহিপুর থানা পুলিশ মো. জলিল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তবে গ্রেপ্তারের পর পরিবার জাতীয় পরিচয়পত্র মিলিয়ে দাবি করে, মামলার মূল আসামি এবং গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, আসামির নাম, বাবার নাম ও গ্রামের নাম একই হওয়ায় এই বিভ্রান্তি ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। পরোয়ানার কপিতে মায়ের নাম না থাকায় শতভাগ পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে ওসি বলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তি যেন দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়ায় মুক্তি পেতে পারেন, সে বিষয়ে পরিবারকে আইনি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যথাযথ যাচাই ছাড়াই গ্রেপ্তারের কারণে নিরপরাধ জলিল হাওলাদার কারাভোগ করছেন উল্লেখ করে দ্রুত সঠিক পরিচয় নির্ধারণ ও তাঁর মুক্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।






















