আমদানি নিষিদ্ধ মেমোরি কার্ড অবৈধভাবে খালাস ও আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক দুই কর্মকর্তা ও এক আমদানিকারকের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুমোদন পাওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা আ. রউফ সরকার ও মো. হারুন-অর-রশীদ এবং আমদানিকারক মামুন হাওলাদার। সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের উদ্দেশ্যে অসৎ পন্থায় যাত্রী মামুন হাওলাদারের আনা নিষিদ্ধ মেমোরি কার্ডের ইনভয়েস গোপন করেন। তারা গণনা ছাড়াই ২ লাখ ১০ হাজার পিস মেমোরি কার্ড গণনা দেখিয়ে খালাসের প্রত্যয়ন দেন এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের ক্লিয়ারেন্স পারমিটের মাধ্যমে আটক করা ব্যাগেজের মেমোরি কার্ড অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেন। দুদকের অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৯ জুন দুদকের উপ-পরিচালক সুভাষ চন্দ্র দত্ত বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিলেন। উপ-সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ৪ কর্মকর্তাকে—মো. আওলাদ হোসেন, মো. মামুন ইফতেখার রহমান, মোছা. ফাতেমা খাতুন এবং মনিরুজ্জামান খান—অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন।






















