আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাইমা জান্নাতকে দুই দফায় দুটি তালাক দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি, দ্বিতীয় তালাক দেওয়ার পরও শরিয়ত অনুযায়ী ওই নারী এখনো তার বৈধ স্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন এবং শেষ তালাক কার্যকর হওয়ার আগে তিনি অন্য কোথাও বিয়ে করতে পারবেন না। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের দ্বিতীয় বিয়ে, বিচ্ছেদ এবং এর পেছনের বিভিন্ন পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে মুফতি মিসবাহ জানান, ছাত্রজামানায় তার প্রথম বিয়ে হলেও সেটি টেকেনি এবং পরবর্তীতে পারিবারিকভাবেই তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তার দাবি, শরিয়ত বা রাষ্ট্রীয়—কোনো দিক থেকেই তার কোনো অপরাধ নেই এবং তিনি ইচ্ছে করে কাউকে ছেড়ে দেননি। বরং সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তিনি একাধিক মধ্যস্থতা বৈঠক করেছিলেন এবং বড় ব্যক্তিরা সংসার না ভাঙার অনুরোধ করলেও নাইমা জান্নাত আর সংসারে থাকতে চাননি। মিসবাহর অভিযোগ, মূলত সম্মানহানি ও চরিত্রহরণের উদ্দেশ্যেই তার পারিবারিক বিষয়গুলো জনসমক্ষে এনে তাকে ছোট করার চেষ্টা করা হয়েছে।
দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ের পেছনের চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তুলে ধরে এই ইসলামি বক্তা জানান, ওই নারীর আগের স্বামী আদালতের মাধ্যমে তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর তার অভিভাবকরাই মিসবাহর কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন। তবে নারীর অতীতের একটি চারিত্রিক বিষয় জানার পর তিনি প্রথমে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। তখন ওই নারী ভিডিও কলে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করেন বলে অভিযোগ করেন মিসবাহ। এমনকি তাকে বিয়ে না করলে আগের স্বামীর ঘরে ফিরে গিয়ে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে ক্যারিয়ার ধ্বংস করার হুমকির মুখে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তিনি তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছিলেন।






















